বাড়ি থেকে টাকা সোনার গয়না চুরির মতো এবারে চুরি নতুন কিছু, তাও আবার জল। এমনটাই অভিযোগ উঠে এলো মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে। দুপুর হতেই খালি হয়ে যাচ্ছে জলের ট্যাঙ্কি।
জল চুরি!তাও আবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে। অবিশ্বাস্য হলেও এমনটাই সত্যি। আর যার জেরে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা রুগী সহ রুগীর পরিবার জল সংঙ্কটে ভুগছেন। এমন পরিস্থিতির কথা মেনে নিয়েছেন খোদ মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্তা। তাঁর দাবী ভোর রাতে জল চুরি হচ্ছে। বিষয়টি সংলিষ্ট পিএইচই দপ্তরকে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছেন তিনি। তবুও সমস্যা সেই তিমিরেই। তাই প্রতিদিন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মহিলা ওর্য়াড থেকে এসএনইউসি ওর্য়াডে দুপুর গড়াতে জল সঙ্কটের সম্মুখীন রুগী ,রুগীর আত্মীয় থেকে হাসপাতালের কর্মীরা। তাই উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে জল কিনে জল সঙ্কট মেটাচ্ছেন হাসপাতালের কর্মী থেকে রুগী ও রুগীর পরিবার। এমন কি শৌচকার্য্যও সারছেন জল কিনে। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জল সরবরাহের দায়িত্বে থাকা পিএইচই দপ্তর এই বিষয়ে ‘নো কমেন্টস’। অগত্যা এমনই ভাবে চলছে জল চুরি। আমাদের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে জল চুরির দৃশ্য। মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন ওর্য়াডে জল সরবরাহকারী পাইপ লাইন ফাঁটিয়ে বা তাতে কৃত্রিম পাইপ কল বসিয়ে ড্রামে ড্রামে জল ভরছেন হাসপাতাল চত্বরের থাকা হোটেল রেস্তোরাঁ সহ ছোট ছোট দোকানিরা। শুধু তাই নয় হাসপাতালের বাথরূমের কলে কৃত্রিম পাইপ লাগিয়ে চুরি হচ্ছে জল। ফলে জল সঙ্কট হচ্ছে। পিএইচই দপ্তরের কর্তারা এই বিষয়ে ক্যামেরার সামনে কিছু বলতে চান নি। তবে তারা জানিয়েছেন ভোরে এবং বিকালে জল উত্তোলন করা হয় পাম্প চালিয়ে। ভরে দেওয়া হয় মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ট্যাঙ্কি।ফলে গাফিলতি তাদের নেই। বাইরের লোক এসে জল নিয়ে গেলে তা রোখার দায়িত্ব তাদের না।আর এমন ঘটনার ফলে জল সঙ্কটে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।